১৩ই এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, শনিবার,দুপুর ১:১১

বাগেরহাটে স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীর মৃত্যুদন্ডাদেশ

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৪

  • শেয়ার করুন

নিজস্ব প্রতিবেদক. বাগেরহাটের কচুয়ায় স্ত্রী হত্যার দায়ে বাসুদেব ওরফে বাপ্পি কর্মকার নামের এক ব্যক্তিকে মৃত্যুদন্ডাদেশ দিয়েছে আদালত। বুধবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে বাগেরহাট নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনাল-১ এর বিচারক এস এম সাইফুল ইসলাম এই রায় দেন। একই সাথে আসামীকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানার আদেশ দেন আদালত। এই মামলার অন্য তিন আসামীকে বেকসুর খালাস দেন আদালত।
দন্ডাদেশ প্রাপ্ত বাসুদেব ওরফে বাপ্পি কর্মকার কচুয়া উপজেলার গজালিয়া গ্রামের বাবুল কর্মকারের ছেলে।
মামলার বিবরণে জানা যায়, পিরোজপুর জেলার মঠবাড়িয়া উপজেলার চরকাছারিয়া সুবোধ কুমারের মেয়ে সেতু রানিকে আসামি বাসুদেব শাহসহ কয়েকজন অপহরণ করে বিবাহ করেন। পরবর্তীতে ঢাকা সহ বিভিন্ন এলাকায় বসবাস করে তারা।পরে এলাকায় এসে বসবাস করতে থাকে এবং স্বর্ণের ব্যাবসা শুরু করে। তার স্ত্রী কে বিভিন্ন সময়ে ১০ লাখ টাকার জন্য যৌতুকের জন্য চাপ দিতে থাকে এবং পিতার কাছ থেকে বিভিন্ন সময়ে ২ লাখ টাকা এনে স্বামীকে দেন স্ত্রী।
পরবর্তীতে ২০১৯ সালের ৬ আগষ্ট রাতে ৮ লক্ষ টাকা যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে নির্যাতন করে। পরে অসুস্থ হয়ে পড়লে বাগেরহাট জেলা হাসপাতালে নিয়ে আসলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃতদেহ সৎকারের পর ৮ আগষ্ট কচুয়া থানায় নিহতের পিতা বাদী হয়ে মামলা করতে গেলে দির্ঘদিন ঘুরিয়ে মামলা নিতে অপারগতা প্রকাশ করে। পরবর্তীতে একই বছর ২ সেপ্টেম্বর নিহতের পিতা সুবোধ কুমার আদালতে মামলা ৬ জনকে আসামি করে। মামলাটি পিবিআই তদন্ত শেষে ২০২০ সালের ৪ এপ্রিল ৪ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত রিপোর্ট দাখিল করে। আদালত ৯ জনের স্বাক্ষ্য শেষে আসামি বাসুদেব ওরফে বাপ্পি কর্মকারকে মৃত্যুদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা আদেশ দেন। অন্য আসামীদের অব্যাহতি দেন। মামলায় আসামিপক্ষের আইনজীবী ছিলেন এ্যাডভোকেট শাহ-ই আলম বাচ্চু এবং বাদিপক্ষের আইনজীবী ছিলেন সরকারি কৌশলী সিদ্দিকুর রহমান খান।

  • শেয়ার করুন