১৩ই এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, শনিবার,সকাল ১১:৫৭

রমজানের প্রথম জুম্মায় ঐতিহাসিক ষাটগম্বুজ মসজিদে মুসল্লীদের ভিড় 

প্রকাশিত: মার্চ ২১, ২০২৪

  • শেয়ার করুন

নিজস্ব প্রতিবেদক. রমজানের প্রথম জুম্মার নামাজে ঐতিহাসিক ষাটগম্বুজ মসজিদে মুসল্লিদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ারমত। ইমামের খুতবা পড়ার আগেই পুরো মসজিদ পরিপূর্ন হয়ে যায়।

ঐতিহাসিক ষাটগম্বুজ মসজিদ দেখতে বছর জুড়ে পর্যটকদের পদচারনায় মুখরিত থাকলেও রমজানের সময় দূরদূরান্ত থেকে মসজিদে জুমার নামাজ আদায় করতে আসেন অনেকেই।

শুক্রবার (১৫ মার্চ ) এবারের রমজানের প্রথম জুমায় মসজিদে অন্যদিনের চেয়ে অনেক বেশি মুসল্লির উপস্থিতি ছিল। জুমার নামাজে ইমামতি করে ষাটগম্বুজ মসজিদের ভারপ্রাপ্ত ইমাম মাওলানা মোঃ নাসির উদ্দিন ।

রামপাল থেকে জুমার নামাজ আদায় করতে আসা শেখ হাসিব বলেন, আগেই নিয়ত করেছিলাম, রমজানের প্রথম জুমা ষাটগম্বুজ মসজিদে পড়বো। তাই এসেছি। ঐতিহাসিক ষাটগম্বুজ মসজিদে নামাজ আদায় করা ভাগ্যের ব্যাপার।

ইমরান হোসেন বলেন, ষাটগম্বুজ মসজিদে আসলে অতীতে মুসলিম স্থাপত্য যে কত সম্মৃদ্ধ ছিল তা বোঝা যায়। রমজানের প্রথম জুমা এখানে পড়তে পেরে ভালো লাগছে।

স্থানীয় আনোয়ার হোসেন বলেন,  জুম্মার নামাজ আমরা ষাট গম্বুজ মসজিদে আদায় করি।  জেলার বাইরে থেকে অনেকে ঘুরতে  এসে ও এখানে নামাজ আদয় করে।

খুলনা-৩ আসনের সংসদ সদস্য এসএম কামাল হোসেন বলেন খুলনায় অবস্থান করছিলাম, হঠাৎ মনে হলো ষাটম্বুজের কথা। তাই রমজানের প্রথম জুম্মার নামাজ ঐতিহাসিক ষাটগম্বুজ মসজিদে আদায় করলাম।

বরিশাল  থেকে আসা মোঃ মিরাজুল ইসলাম বলেন, আগে কখনো ষাটগম্বুজ মসজিদে নামজ পড়া হয় নাই। শুক্রবার ষাটগম্বুজ মসজিদে নামাজ পড়ে মানুষিক ভাবে প্রশান্তি পেলাম।

ষাটগম্বুজ মসজিদের ভারপ্রাপ্ত ইমাম মাওলানা মোঃ নাসির উদ্দিন বলেন, রমজানের সব প্রস্তুতি রয়েছে আমাদের। দু’জন স্বনামধন্য হাফেজ দিয়ে খতম তারাবি পড়ানো হয়। প্রতিদিন দুই থেকে তিনশো রোজাদারাদের এখানে ইফতারি করানো হয়। শুক্রবার অনেক বেশি আয়োজন থাকে। রমজান মাসে অনেক দূরদূরান্ত থেকে মানুষ এখানে নামাজ আদায় করতে আসেন ষাটগম্বুজ মসজিদে বলে জানান তিনি।

  • শেয়ার করুন